স্বাগতম

আমি মোঃ সেলিম

সাংগঠনিক সম্পাদক

ভাকুর্তা ইউনিয়ন কৃষকদল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদল এর আদর্শে বিশ্বাসী। কৃষকদের অধিকার আদায় এবং ভাকুর্তা ইউনিয়নের মানুষের পাশে দাঁড়াতে আমি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ।

১০+

বছর রাজনীতিতে

৫০+

সামাজিক কর্মসূচি

Md. Selim

আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ভাকুর্তা ইউনিয়নের উন্নয়নে আমার পরিকল্পনা

Farmer Vision
  • কৃষকের ন্যায্য অধিকার

    কৃষক যাতে তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় এবং হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করা।

  • দুঃস্থদের সহায়তা

    সরকারি ও দলীয় ত্রাণ বা সহায়তা প্রকৃত দুঃস্থদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

  • শক্তিশালী সংগঠন

    ভাকুর্তা ইউনিয়ন কৃষকদলকে একটি সুসংগঠিত ও শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে গড়ে তোলা।

রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা

বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার রূপরেখা

১
সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন
বিগত এক দশকের অধিক কালব্যাপী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা কুক্ষিগত করিয়া রাখার হীন উদ্দেশ্যে অনেক অযৌক্তিক মৌলিক সাংবিধানিক সংশোধনী আনয়ন করিয়াছে। একটি “সংবিধান সংস্কার কমিশন” গঠন করিয়া সকল বিতর্কিত ও অগণতান্ত্রিক সাংবিধানিক সংশোধনী ও পরিবর্তনসমূহ পর্যালোচনা করিয়া এইসব রহিত/সংশোধন করা হইবে।
২
সম্প্রীতিমূলক সমন্বিত রাষ্ট্রসত্তা প্রতিষ্ঠা
প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের রাজনীতির বিপরীতে সকল মত ও পথের সমন্বয়ে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক "Rainbow Nation" প্রতিষ্ঠা করা হইবে। এই জন্য একটি "National Reconciliation Commission" গঠন করা হইবে।
৩
নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার
বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় এবং স্বচ্ছ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্থায়ী সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে একটি “নির্বাচনকালীন দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার” ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হইবে।
৪
রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা
সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীসভার নির্বাহী ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন করা হইবে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ভারসাম্য (Checks and Balances) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগের ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্যের সুসমন্বয় করা হইবে।
৫
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
পরপর দুই টার্মের অতিরিক্ত কেউ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করিতে পারিবেন না।
৬
আইন সভায় উচ্চকক্ষের প্রবর্তন
বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের সমন্বয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার লক্ষ্যে বিশিষ্ট নাগরিক, শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে সংসদে “উচ্চকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা” (Upper House of the Legislature) প্রবর্তন করা হইবে।
৭
সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন
আস্থাভোট, অর্থবিল, সংবিধান সংশোধনী বিল এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িত এমন সব বিষয় ব্যতীত অন্যসব বিষয়ে সংসদ সদস্যদের স্বাধীনভাবে মতামত প্রদানের সুযোগ নিশ্চিত করিবার লক্ষ্যে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন বিবেচনা করা হইবে।
৮
নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার
স্বাধীন ও দক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে আইন সংশোধন করা হইবে। ইভিএম নয়, সকল কেন্দ্রে পেপার-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রদান নিশ্চিত করা হইবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহার বাতিল করা হইবে।
৯
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠন
সংকীর্ণ রাজনৈতিক দলীয়করণের ঊর্ধ্বে উঠিয়া সকল রাষ্ট্রীয়, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হইবে। শুনানির মাধ্যমে সংসদীয় কমিটির ভেটিং সাপেক্ষে গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে নিয়োগ প্রদান করা হইবে।
১০
জুডিশিয়াল কমিশন ও বিচার বিভাগ
বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হইবে। “জুডিশিয়াল কমিশন” গঠন করা হইবে। অধস্তন আদালত সমূহের নিয়ন্ত্রণ সুপ্রীম কোর্টের উপর ন্যস্ত হইবে। “সুপ্রীম জুডিশিয়াল কাউন্সিল” ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হইবে।
১১
প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন গঠন
একটি “প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন” গঠন করিয়া প্রশাসন সংস্কার ও পুনর্গঠন করা হইবে। মেধা, সততা ও দক্ষতা নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির একমাত্র মাপকাঠি হিসাবে বিবেচনা করা হইবে।
১২
মিডিয়া কমিশন ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্যে একটি “মিডিয়া কমিশন” গঠন করা হইবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট সহ মৌলিক মানবাধিকার হরণকারী সকল কালাকানুন বাতিল করা হইবে। সাগর-রুনি হত্যাসহ সকল সাংবাদিক নির্যাতন ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করা হইবে।
১৩
দুর্নীতি প্রতিরোধ ও ন্যায়পাল নিয়োগ
দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হইবে এবং পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হইবে। সংবিধান অনুযায়ী “ন্যায়পাল (Ombudsman)” নিয়োগ করা হইবে।
১৪
আইনের শাসন ও মানবাধিকার
গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অবসান ঘটানো হইবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের সাথে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির সুবিচার নিশ্চিত করা হইবে।
১৫
অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন
অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করিতে “অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন” গঠন করা হইবে। ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য দূরীকরণ করা হইবে।
১৬
ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তা
“ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার” নীতির ভিত্তিতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হইবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধান করা হইবে।
১৭
শ্রমের ন্যায্য মজুরী ও শ্রমিক অধিকার
মুদ্রাস্ফীতির আলোকে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা হইবে। বন্ধ কল-কারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হইবে এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা হইবে।
১৮
বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে সুশাসন
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দায়মুক্তি আইন বাতিল করা হইবে। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্নীতি বন্ধ করা হইবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হইবে।
১৯
জাতীয় স্বার্থ ও বৈদেশিক সম্পর্ক
জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হইবে। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
২০
প্রতিরক্ষা বাহিনীর আধুনিকায়ন
প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সুসংগঠিত ও আধুনিকায়ন করা হইবে এবং সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা হইবে।
২১
স্থানীয় সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে অধিকতর স্বাধীন ও ক্ষমতাবান করা হইবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অযৌক্তিকভাবে অপসারণ করা হইবে না।
২২
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি
মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করা হইবে। মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা যাচাই-বাছাই করিয়া সঠিক তালিকা প্রস্তুত করা হইবে।
২৩
যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান
শিক্ষিত বেকারদের বেকার ভাতা প্রদান করা হইবে। চাকুরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করা হইবে।
২৪
নারীর ক্ষমতায়ন
জাতীয় সংসদে ও স্থানীয় সরকারে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো হইবে এবং নারীর সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইবে।
২৫
শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
চাহিদা ও জ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হইবে। শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দ করা হইবে এবং গবেষণা ও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হইবে।
২৬
সবার জন্য স্বাস্থ্য
“বিনা চিকিৎসায় কোন মৃত্যু নয়” নীতির ভিত্তিতে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা হইবে। স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫% বরাদ্দ করা হইবে।
২৭
কৃষকের সুরক্ষা ও কৃষি পণ্যের মূল্য
কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হইবে। শস্য বীমা, পশু বীমা ইত্যাদি চালু করা হইবে।
২৮
যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন
সড়ক, রেল ও নৌপথের আধুনিকায়ন করিয়া সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়িয়া তোলা হইবে।
২৯
জলবায়ু সংকট ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় টেকসই কর্মকৌশল গ্রহণ এবং নদী শাসন ও খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হইবে।
৩০
তথ্য প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা
তথ্য প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা এবং আণবিক শক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হইবে।
৩১
আবাসন ও নগরায়ন
পরিবেশ বান্ধব আবাসন ও নগরায়ন নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হইবে এবং পর্যায়ক্রমে সকল দরিদ্র জনগোষ্ঠির আবাসন নিশ্চিত করা হইবে।

আমার কার্যক্রম

দেশ ও দশের সেবায় আমার কিছু উদ্যোগ

কৃষক সেবা

কৃষকদের ন্যায্য অধিকার আদায় এবং কৃষি উপকরণের সঠিক বণ্টনে সহায়তা প্রদান।

সামাজিক উন্নয়ন

এলাকার দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ।

রাজনৈতিক কর্মসূচি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের সকল কর্মসূচিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব প্রদান।

ভিডিও গ্যালারি

১৯ দফা কর্মসূচী

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের আর্থ-সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছিলেন।

১
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব
সর্বতোভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখন্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
২
শাসনতন্ত্রের মূলনীতি
শাসনতন্ত্রের চারটি মূলনীতি, অর্থাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি সর্বাত্মক বিশ্বাস ও আস্থা, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার -এর জাতীয় জীবনে সর্বাত্মক প্রতিফলন।
৩
আত্মনির্ভরশীল জাতি
সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসাবে গঠন করা।
৪
জনগণের অংশগ্রহণ
প্রশাসনের সর্বস্তরে, উন্নয়ন কার্যক্রমে ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
৫
কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি
সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এর ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়ন এর মাধ্যমে গ্রামীন তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।
৬
খাদ্য নিরাপত্তা
দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা এবং কেউ যেন ক্ষুধার্ত না থাকে তা নিশ্চিত করা।
৭
বস্ত্র উৎপাদন
দেশে কাপড় এর উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোটা কাপড় নিশ্চিত করা।
৮
গৃহায়ণ ব্যবস্থা
কোন নাগরিক যেন গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব গৃহায়ণ ব্যবস্থা করা।
৯
নিরক্ষরতা দূরীকরণ
দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।
১০
চিকিৎসা সুবিধা
সকল দেশবাসীর জন্য নূন্যতম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
১১
নারী ও যুব সমাজ
সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা এবং যুবসমাজকে সুসংহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।
১২
বেসরকারি খাত
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারি খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ প্রদান দান।
১৩
শ্রমিক কল্যাণ
শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।
১৪
জনসেবা ও দেশ গঠন
সরকারী চাকরিজীবীদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তি উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।
১৫
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ
জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধ করা।
১৬
বৈদেশিক সম্পর্ক
সকল বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশ গুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করা।
১৭
বিকেন্দ্রীকরণ
প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা।
১৮
দুর্নীতিমুক্ত সমাজ
দুর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নীতি ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।
১৯
নাগরিক অধিকার ও ঐক্য
ধর্ম, গোত্র ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ণ সংরক্ষণ করা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করা।